মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

ইন্দো-ইউরোপীয় ধারা থেকে বাংলার জন্ম, দুই পণ্ডিতের মতপার্থক্য এবং চর্যাপদের পরিচয়।

বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

ইন্দো-ইউরোপীয় ধারা থেকে বাংলার জন্ম, দুই পণ্ডিতের মতপার্থক্য এবং চর্যাপদের পরিচয়।

সংজ্ঞা

ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর ইন্দো-আর্য শাখা থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের ধারা পেরিয়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে, প্রায় হাজার বছর আগে।

ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে বাংলা

বাংলা ভাষার জন্ম হঠাৎ হয়নি — এর পেছনে হাজার হাজার বছরের একটি বংশধারা আছে। সবচেয়ে উপরে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী, যেখান থেকে ইউরোপের গ্রিক ও ল্যাটিন এবং এশিয়ার সংস্কৃত ও ফারসি সবই এসেছে।

সেই গোষ্ঠীর একটি শাখা ইন্দো-ইরানীয়, তার একটি উপশাখা ইন্দো-আর্য। ইন্দো-আর্যের প্রাচীন স্তরের ভাষাই বৈদিক ও সংস্কৃত; মধ্য স্তরে পালি ও প্রাকৃত; আর নব্য স্তরে বাংলা, হিন্দি, অসমিয়া, ওড়িয়া ও মারাঠি।

তাই বাংলা সংস্কৃতের কন্যা নয়, বরং সংস্কৃতের সমান্তরাল ধারার উত্তরসূরি। প্রাকৃত ও অপভ্রংশের স্তর পেরিয়ে বাংলা আজকের চেহারা পেয়েছে।

বাংলার বংশধারা

স্তরভাষাআনুমানিক কাল
ইন্দো-ইউরোপীয়মূল ভাষাগোষ্ঠীঅতি প্রাচীন
ইন্দো-ইরানীয়শাখাপ্রাচীন
প্রাচীন ভারতীয় আর্যবৈদিক, সংস্কৃতখ্রিস্টপূর্ব ১৫০০–৫০০
মধ্য ভারতীয় আর্যপালি, প্রাকৃত, অপভ্রংশখ্রিস্টপূর্ব ৫০০–খ্রিস্টীয় ৯০০
নব্য ভারতীয় আর্যবাংলা, হিন্দি, অসমিয়াখ্রিস্টীয় ৯০০ থেকে
  • সংস্কৃত → প্রাকৃত → অপভ্রংশ → বাংলা
  • বাংলা সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের স্তর পেরিয়ে এসেছে

মাগধী প্রাকৃত ও গৌড়ীয় অপভ্রংশ

প্রাকৃত ভাষার কয়েকটি আঞ্চলিক রূপ ছিল, আর বাংলার সরাসরি পূর্বসূরি হলো মাগধী প্রাকৃত — মগধ অঞ্চলের প্রাকৃত। এখান থেকেই বাংলা, অসমিয়া, ওড়িয়া, মৈথিলী ও ভোজপুরি জন্ম নিয়েছে।

মাগধী প্রাকৃতের পরবর্তী স্তর গৌড়ীয় অপভ্রংশ, আর সেখান থেকেই দশম শতকের কাছাকাছি বাংলা ভাষার স্বতন্ত্র রূপ দাঁড়াতে শুরু করে।

এ কারণেই বাংলার সঙ্গে অসমিয়া ও ওড়িয়ার মিল সবচেয়ে বেশি — তিনটিই একই পূর্বসূরি থেকে আলাদা হয়েছে। হিন্দির সঙ্গে মিল কম, কারণ হিন্দির উৎস শৌরসেনী প্রাকৃত।

প্রাকৃত রূপযেসব ভাষার উৎস
মাগধী প্রাকৃতবাংলা, অসমিয়া, ওড়িয়া, মৈথিলী
শৌরসেনী প্রাকৃতহিন্দি, ব্রজভাষা
মহারাষ্ট্রী প্রাকৃতমারাঠি
  • বাংলা ও অসমিয়ার মিল বেশি — একই পূর্বসূরি
  • হিন্দির উৎস শৌরসেনী, তাই মিল কম

চর্যাপদ — বাংলার প্রথম নিদর্শন

বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ, যা আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে। আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, আর তিনি ১৯১৬ সালে এটি প্রকাশ করেন।

চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গান, রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতক। এর ভাষা সন্ধ্যা ভাষা নামে পরিচিত — অর্থাৎ আলো-আঁধারি ভাষা, যেখানে সাধারণ অর্থের আড়ালে সাধনার গূঢ় অর্থ লুকানো।

চর্যাপদের ভাষা আজকের বাংলার মতো নয়, তবে বাংলা ব্যাকরণের বহু বৈশিষ্ট্য সেখানেই প্রথম দেখা যায়। এ কারণেই একে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন বলা হয়।

বিষয়তথ্য
আবিষ্কার১৯০৭ সাল, নেপাল রাজদরবার
আবিষ্কারকহরপ্রসাদ শাস্ত্রী
প্রকাশ১৯১৬ সাল
রচনাকালআনুমানিক দশম–দ্বাদশ শতক
রচয়িতাবৌদ্ধ সহজিয়া সাধকগণ
ভাষার নামসন্ধ্যা ভাষা
  • চর্যাপদ — বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন
  • চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ভারতে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগারে

বাংলা ভাষার তিন যুগ

বাংলা ভাষার ইতিহাসকে তিন যুগে ভাগ করা হয়, আর প্রতিটি যুগের ভাষার চেহারা আলাদা। যুগবিভাগ ও তাদের প্রধান নিদর্শন পরীক্ষায় সরাসরি জিজ্ঞাসা করা হয়।

  • মধ্যযুগের শুরুতে প্রায় দেড়শো বছর অন্ধকার যুগ বলে চিহ্নিত।
  • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন, রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস
  • আধুনিক যুগের সূচনা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও গদ্যচর্চার হাত ধরে।

বাংলা ভাষার যুগবিভাগ

যুগকালপ্রধান নিদর্শন
প্রাচীন যুগ৯৫০–১২০০ খ্রিস্টাব্দচর্যাপদ
মধ্যযুগ১২০১–১৮০০ খ্রিস্টাব্দশ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি
আধুনিক যুগ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ থেকেগদ্যসাহিত্য, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল
  • প্রাচীন যুগের নিদর্শন — চর্যাপদ
  • মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন — শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

বাংলা ভাষার বিস্তার

বাংলা আজ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ভাষা। বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও আসামের বরাক উপত্যকার সরকারি ভাষা। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাঙালিরাও এই ভাষায় কথা বলেন।

ভাষা হিসেবে বাংলার একটি বিরল গৌরব আছে — এটিই একমাত্র ভাষা যার জন্য মানুষ প্রাণ দিয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মরণে ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে।

বাংলা ভাষার আরেকটি বৈশিষ্ট্য এর আঞ্চলিক বৈচিত্র্য। চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী — প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব উপভাষা আছে, অথচ লিখিত প্রমিত বাংলা সবার জন্য এক।

  • বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা, ভারতের তিন অঞ্চলে সরকারি ভাষা।
  • ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (১৯৯৯)।
  • বহু উপভাষা, কিন্তু লিখিত প্রমিত রূপ এক।
  • একুশে ফেব্রুয়ারি — আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
  • উপভাষা আলাদা, প্রমিত লিখিত রূপ এক

পরীক্ষায় কী আসে

এই অধ্যায় থেকে প্রশ্ন প্রায় সব সময় তথ্যভিত্তিক — বাংলার উৎস কোন ভাষাগোষ্ঠী, চর্যাপদ কে কবে আবিষ্কার করেন, যুগবিভাগ কী। উত্তর নির্দিষ্ট, তাই তারিখ ও নাম মনে থাকলে নম্বর নিশ্চিত।

সবচেয়ে বেশি ভুল হয় বাংলাকে সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে বলে। শুদ্ধ উত্তর হলো — প্রাকৃত ও অপভ্রংশের স্তর পেরিয়ে, বিশেষ করে মাগধী প্রাকৃত ও গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে।

দ্বিতীয় ভুল চর্যাপদের আবিষ্কারস্থল নিয়ে। এটি আবিষ্কৃত হয় নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগারে, ভারতে নয় — আর সালটি ১৯০৭, প্রকাশ ১৯১৬।

  • বাংলা এসেছে মাগধী প্রাকৃত ও গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে।
  • চর্যাপদ — নেপালে, ১৯০৭, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
  • তিন যুগ — প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক।
  • বাংলা সরাসরি সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশ হয়ে

বিস্তারিত আলোচনা

ভাষাবিজ্ঞানীরা পৃথিবীর ভাষাগুলোকে কয়েকটি বড় গোষ্ঠীতে ভাগ করেছেন। বাংলা পড়ে ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীতে, তার ভেতর ইন্দো-ইরানীয় শাখায়, আর তার ভেতর ইন্দো-আর্য উপশাখায়। এই ধারাতেই সংস্কৃত, পালি, প্রাকৃত ও অপভ্রংশ পেরিয়ে আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষাগুলোর জন্ম — হিন্দি, মারাঠি, গুজরাটি, ওড়িয়া, অসমিয়া ও বাংলা।

বাংলার সরাসরি পূর্বপুরুষ কোনটি, তা নিয়ে দুটি মত আছে। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা এসেছে মাগধী প্রাকৃত থেকে জাত পূর্ব মাগধী অপভ্রংশ হয়ে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলার উৎস গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে জাত গৌড়ীয় অপভ্রংশ। দুই মতেই প্রাকৃত ও অপভ্রংশের ধাপ দুটি অভিন্ন, পার্থক্য কেবল কোন আঞ্চলিক ধারাটি সরাসরি পূর্বপুরুষ তা নিয়ে।

বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গানের সংকলন। বিশ শতকের গোড়ায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন এবং পরে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয় সন্ধ্যা ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা, কারণ এর অর্থ দুই স্তরে বোঝা যায়।

মনে রাখার কথা

দুই পণ্ডিতের মতপার্থক্য কেবল শেষ ধাপটি নিয়ে — প্রাকৃত ও অপভ্রংশের ধারা দুই মতেই এক।

সাধারণ ভুল

পরীক্ষায় এই ভুলগুলোই সবচেয়ে বেশি নম্বর কাটে। ভুল রূপটি দেখে নিলে নিজের লেখায় ধরা সহজ হয়।

  • বাংলা সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে। প্রাকৃত ও অপভ্রংশের স্তর পেরিয়ে এসেছে।
  • চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ভারতে। নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগারে, ১৯০৭ সালে।
  • বাংলার উৎস শৌরসেনী প্রাকৃত। মাগধী প্রাকৃত — শৌরসেনী থেকে এসেছে হিন্দি।
  • চর্যাপদ প্রকাশিত হয় ১৯০৭ সালে। আবিষ্কার ১৯০৭, প্রকাশ ১৯১৬।

অনুশীলন

নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর নিজে লেখো, তারপর মিলিয়ে নাও।

  1. বাংলা ভাষা কোন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  2. বাংলার সরাসরি পূর্বসূরি কোন প্রাকৃত?
  3. চর্যাপদ কে, কবে ও কোথায় আবিষ্কার করেন?
  4. চর্যাপদের ভাষাকে কী বলা হয় ও কেন?
  5. বাংলা ভাষার তিন যুগ ও তাদের কাল লেখো।
  6. বাংলার সঙ্গে অসমিয়া ও ওড়িয়ার মিল বেশি কেন?
  7. একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হলো কবে?
  8. বাংলা ভাষার উৎপত্তি নিয়ে ভাষাবিজ্ঞানীদের মতভেদ আছে কি?
  9. বাংলা ভাষার বয়স কত?
  10. বাংলা ভাষার তিনটি স্তরের নাম কী?

উত্তর

  1. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর ইন্দো-ইরানীয় শাখার ইন্দো-আর্য উপশাখার নব্য ভারতীয় আর্য স্তরে।
  2. মাগধী প্রাকৃত, আর তার পরবর্তী স্তর গৌড়ীয় অপভ্রংশ।
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ১৯০৭ সালে, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে। প্রকাশ করেন ১৯১৬ সালে।
  4. সন্ধ্যা ভাষা — অর্থাৎ আলো-আঁধারি ভাষা, কারণ সাধারণ অর্থের আড়ালে সাধনার গূঢ় অর্থ লুকানো থাকে।
  5. প্রাচীন যুগ ৯৫০–১২০০, মধ্যযুগ ১২০১–১৮০০ এবং আধুনিক যুগ ১৮০১ খ্রিস্টাব্দ থেকে।
  6. কারণ তিনটিই মাগধী প্রাকৃত থেকে জন্ম নিয়েছে। হিন্দির উৎস শৌরসেনী প্রাকৃত, তাই তার সঙ্গে মিল কম।
  7. ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ঘোষণা করে, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মরণে।
  8. আছে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ মনে করতেন বাংলার উৎস গৌড়ী প্রাকৃত, আর ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেছিলেন মাগধী প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত পূর্ব-মাগধী অপভ্রংশ। পাঠ্যবইয়ে সাধারণত দ্বিতীয় মতটিই অনুসৃত হয়।
  9. আনুমানিক এক হাজার বছর। চর্যাপদের রচনাকাল দশম থেকে দ্বাদশ শতক, আর সেটিই বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন — এ কারণেই হরপ্রসাদ শাস্ত্রী গ্রন্থটির নামে “হাজার বছরের পুরান” কথাটি ব্যবহার করেছিলেন।
  10. প্রাচীন বাংলা, মধ্যযুগীয় বাংলা ও আধুনিক বাংলা। প্রাচীন স্তরের নিদর্শন চর্যাপদ, মধ্যযুগের নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ও মঙ্গলকাব্য, আর আধুনিক স্তর শুরু হয় ঊনবিংশ শতক থেকে।

উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো

বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকো

পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।